মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এটা আন্তর্জাতিক সংবাদ ভিত্তিক সর্বশেষ খবর — ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র মৃত্যু সম্পর্কে: টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আ.লীগের ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন গাজীপুরের পূবাইলে ‘আপোষহীন নেত্রী’র স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ ভিডিও বানাতে গিয়ে জঙ্গলে মিলল লাশ পূবাইলে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার জাতীয় শহিদ সেনা দিবস-আত্মত্যাগের স্মৃতি, দায়িত্বের অঙ্গীকার শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কড়া বার্তা শহীদ ওসমান হাদী হ*ত্যা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলন। 
Notice :
"Jonotarmotamot"  (জনতার মতামত) বা গণমানুষের সম্মিলিত ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বাস। কোন নির্দিষ্ট বিষয়, ঘটনা বা নীতি সম্পর্কে সমাজের একটি বৃহৎ অংশের মানুষের সমষ্টিগত চিন্তা বা অনুভূতি।

দুই সপ্তাহ পর খুলল চক্ষুবিজ্ঞান হাসপাতালের বহির্বিভাগ

প্রতিনিধির নাম: / ৬৮২ ভিউ:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫, ৬:০৪ অপরাহ্ন

দুই সপ্তাহের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবা চালু হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় হাসপাতালের বহির্বিভাগ থেকে রোগীদের টিকিট দেওয়া শুরু হয়।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার জন্য কয়েক শ রোগীকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

গত ২৮ মে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংঘর্ষ-মারামারির ঘটনা ঘটে। এর জেরে দেশের সবচেয়ে বড় বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতালটিতে সব ধরনের চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে যায়। ভর্তি রোগীরা হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান।

৪ জুন হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা (জরুরি সেবা) চালু হয়। গতকাল বুধবার জরুরি বিভাগ থেকে অন্তত ৮০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ছাড়া গতকাল ৫ রোগীর অস্ত্রোপচার হয় বলে জানান জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক-নার্সরা। তাঁরা বলেন, এখন জরুরি বিভাগের অধীন অন্তত ৩০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসক-নার্সরা বলেন, আজ সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।

মানিকগঞ্জ থেকে মায়ের চোখের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে এসেছেন মাইদুল ইসলাম। তিনি জানান, তাঁর মায়ের চিকিৎসার জন্য তাঁরা অনেক দিন ধরে অপেক্ষায় ছিলেন। সাম্প্রতিক সংঘর্ষের জেরে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা তিনি জানতেন। কয়েক দিন আগে থেকে জরুরি সেবা দেওয়া শুরুর তথ্য জানতে পেরে আজ তিনি তাঁর মাকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। এসে দেখতে পান, বহির্বিভাগ খুলেছে। এতে তিনি খুশি।

মাইদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমাদের মতো যাঁরা নিম্নবিত্ত, তাঁদের জন্য এই হাসপাতাল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চোখের চিকিৎসা অন্য কোথাও তেমন ভালো পাওয়া যায় না। আর কোনো সমস্যায় যাতে হাসপাতাল বন্ধ না হয়, সরকারের কাছে সেই অনুরোধ রইল।’

জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগ ছাড়া হাসপাতালের অন্যান্য সেবা বন্ধ আছে। এ কারণে রোগীদের ভোগান্তি এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

ছেলে ও মায়েরের চিকিৎসা করাতে বরিশাল থেকে এসেছেন জোবায়দা খাতুন। তিনি বলেন, বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসক দেখাতে পারলেও তাঁর ছেলের চোখের বেশ কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সেটা করাতে না পেরে তাঁরা আজকের মতো ফেরত যাচ্ছেন। আগামী শনিবার সব সেবা চালু হবে বলে শুনেছেন। তাই সেদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।

জোবায়দা খাতুন বলেন, দ্রুত সময়ে সব সেবা চালুর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অনেক মানুষ ভোগান্তিতে আছেন। স্বল্প পরিসরে সেবা চালু হলে মানুষের ভোগান্তি ঘুচবে না।

হাসপাতালে পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার সদস্যের অবস্থান করতে দেখা গেছে। শাহ আলম নামের এক আনসার সদস্য বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক। আজ বহির্বিভাগ চালু হয়েছে। শনিবার থেকে সব সেবা চালু হওয়ার কথা।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জানে আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা আগেই ধীরে ধীরে সব সেবা চালু কথা জানিয়েছিলাম। আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবার টিকিট দেওয়া হবে। আর চিকিৎসা দেওয়া হবে বেলা ১টা পর্যন্ত। শনিবার থেকে হাসপাতালের সব সেবা চালুর পরিকল্পনা আছে।’

ঈদের ছুটির আগে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ছাড়া অন্য সবাই বাড়ি চলে গেছেন। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেউ হাসপাতালের ছাড়পত্র নিয়ে যাননি।

সরকারের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের ছাড়পত্র দিতে বলেছে। ঈদের ছুটি শেষে তাঁরা আবার হাসপাতালে ফিরে এলে পরিস্থিতি কী হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জানে আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাসপাতালে অবস্থান করা জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিরা আমাদের কোনো তথ্য দিচ্ছেন না।’


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর