শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
দ্রব্যমূল্য, শ্রমিক অসন্তোষ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের বিস্তার রোধে নাগরিক সংহতি সমাবেশ আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাই কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ: আমীর, ইসলামী সমাজ বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে হাসির জাদুতে যাঁরা জয় করেছিলেন কোটি দর্শকের হৃদয় জাপানে আমার ঐতিহাসিক সফর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কে এই শাহজালাল রুমি দৃষ্টি আকৃর্ষণ করছি ৫৪ নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের কাছে? টঙ্গী হাসপাতালে ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরি: ২ জন আটক, ১২টি ফোন চুরির দাবি টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এটা আন্তর্জাতিক সংবাদ ভিত্তিক সর্বশেষ খবর — ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র মৃত্যু সম্পর্কে: টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আ.লীগের ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন গাজীপুরের পূবাইলে ‘আপোষহীন নেত্রী’র স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ​
Notice :
"Jonotarmotamot"  (জনতার মতামত) বা গণমানুষের সম্মিলিত ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বাস। কোন নির্দিষ্ট বিষয়, ঘটনা বা নীতি সম্পর্কে সমাজের একটি বৃহৎ অংশের মানুষের সমষ্টিগত চিন্তা বা অনুভূতি।

দ্রব্যমূল্য, শ্রমিক অসন্তোষ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের বিস্তার রোধে নাগরিক সংহতি সমাবেশ

প্রতিনিধির নাম: / ১৩ ভিউ:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ন

দ্রব্যমূল্য, শ্রমিক অসন্তোষ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের বিস্তার রোধে নাগরিক সংহতি সমাবেশ

​বিশেষ প্রতিনিধি:

দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, শিল্পাঞ্চলে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ এবং অশুভ নিষিদ্ধ সংগঠনের অপতৎপরতার বিস্তার রোধে এক নাগরিক সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ গাজীপুর টঙ্গী পূর্ব থানায় আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাগরিক পার্টির শীর্ষ নেতা আবদুল্লাহ আল মুহিম চিব বলেন, “দেশের সাধারণ মানুষ আজ দ্রব্যমূল্যের যাঁতাকলে পিষ্ট। নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সিন্ডিকেট দমন ও কার্যকর বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করতে না পারলে এই সংকট আরও ঘনীভূত হবে।”
​তৈরি পোশাক ও উৎপাদন খাতে বিরাজমান অশান্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “শিল্পাঞ্চলে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ দেশের অর্থনীতির জন্য এক মারাত্মক হুমকি। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণ এবং মালিক-শ্রমিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে শিল্প খাতের পরিবেশ দ্রুত স্বাভাবিক করতে হবে। কোনো পক্ষকে সুযোগ নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে দেওয়া যাবে না।” ​দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধান অতিথি আরও বলেন, “রাষ্ট্রীয় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও দেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্টে নিষিদ্ধ ঘোষিত নানা সংগঠন নতুন করে অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করছে। যেকোনো মূল্যে এদের অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে দেশের সচেতন নাগরিকদের একতাবদ্ধ হয়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে।” ​সমাবেশে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দ্রুত জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। ​সংহতি সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর