কে এই শাহজালাল রুমি দৃষ্টি আকৃর্ষণ করছি ৫৪ নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের কাছে?
নিজস্ব প্রতিবেদক //
গাজীপুর টঙ্গীতে কোন প্রকার যাচাই বাছাই না করেই মাদ্রাসায় ঢুকে একজন শিক্ষকের উপর হামলা। কারীউল কুরআন মাদ্রাসার ছয় সাত বছর বয়সী একটা মেয়ে ভালো ফলাফল করায় শিক্ষক তাকে স্নেহ করে বলেছেন “মামুনী- সামনে আসো। তোমাকে একটা চুমু দেই। তবে শিক্ষক বাচ্চাটাকে চুমু দেননি। সিসিটিভি ফুটেজ ও সেটাই বলছে।
এই ঘটনার পরও তিন দিন পর্যন্ত বাচ্চাটা স্বাভাবিক ক্লাস করেছে।
গতকাল হঠাৎ অভিভাবক লোকজন নিয়ে এসে শিক্ষক’কে যেভাবে পিটিয়েছে। সেটা সোস্যাল মিডিয়ায় সবাই দেখেছে
কথা হচ্ছে শিক্ষক যদি অপরাধী হয়,, তাহলে অবশ্যই তাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
আর যদি শিক্ষক অপরাধী সাবস্ত না হয়,, তাহলে যেই লোক একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লোকজন নিয়ে গিয়ে একজন শিক্ষক’কে এভাবে পিটিয়েছে। তাঁকে কঠিন শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য দেশের পুলিশ প্রশাসন আইন আদাল রয়েছে।
কোন কিছু হতে না হতেই তথ্য প্রমাণ ছাড়া এমন স/ন্ত্রা/সী কায়দায় শিক্ষকদের উপর হামলা। এটা কখনোই মেনে নেওয়া যায়না।
বিশেষ করে মাদ্রাসার ক্ষেত্রেই এমনটা বেশি ঘটে। অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন সাহস কেউ কখনো দেখাতে পারবে না।
তাহলে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।