রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
টঙ্গী সরকারি কলেজে তোলপাড়: ফ্যাসিবাদের দোসর ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যক্ষ হিসেবে বহাল। ​ টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এটা আন্তর্জাতিক সংবাদ ভিত্তিক সর্বশেষ খবর — ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র মৃত্যু সম্পর্কে: টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আ.লীগের ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন গাজীপুরের পূবাইলে ‘আপোষহীন নেত্রী’র স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ ভিডিও বানাতে গিয়ে জঙ্গলে মিলল লাশ পূবাইলে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার জাতীয় শহিদ সেনা দিবস-আত্মত্যাগের স্মৃতি, দায়িত্বের অঙ্গীকার শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কড়া বার্তা
Notice :
"Jonotarmotamot"  (জনতার মতামত) বা গণমানুষের সম্মিলিত ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বাস। কোন নির্দিষ্ট বিষয়, ঘটনা বা নীতি সম্পর্কে সমাজের একটি বৃহৎ অংশের মানুষের সমষ্টিগত চিন্তা বা অনুভূতি।

টঙ্গী সরকারি কলেজে তোলপাড়: ফ্যাসিবাদের দোসর ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যক্ষ হিসেবে বহাল। ​

প্রতিনিধির নাম: / ৭ ভিউ:
আপডেট সময়: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

টঙ্গী সরকারি কলেজে তোলপাড়: ফ্যাসিবাদের দোসর ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যক্ষ হিসেবে বহাল

স্টাফ রিপোর্টার //গাজীপুর
টঙ্গী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও বর্তমান উপাধ্যক্ষ ড. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দলীয় প্রভাব বিস্তার, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত কলেজ অডিটোরিয়াম ভেঙে ফেলা এবং প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়ায় কলেজটির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক হওয়ার পর থেকেই কলেজ প্রশাসনের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন ড. আবুল কালাম আজাদ। তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রাজনৈতিক শক্তির প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ধামাচাপা দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
​ছাত্র-শিক্ষক ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবহনকারী কলেজের মূল অডিটোরিয়ামটি কোনো ধরনের সরকারি অনুমতি বা যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর পেছনে প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল বলে দাবি করছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
​গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে কলেজ প্রশাসনে প্রভাব বজায় রাখার অভিযোগ রয়েছে। সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও ফ্যাসিবাদের আমলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও দলীয় কর্মসূচিতে তার সরব উপস্থিতি এবং গাজীপুর জেলা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সুসম্পর্কের নানা তথ্য ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও স্থানীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার প্রকাশ্য পৃষ্ঠপোষকতা ও উপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।
​একজন বিতর্কিত ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে পরিচিত শিক্ষককে কীভাবে টঙ্গী সরকারি কলেজের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হলো—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। অবিলম্বে এই নিয়োগ বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুর্নীতিবাজ এই শিক্ষককে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন সচেতন শিক্ষার্থীরা।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর