সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এটা আন্তর্জাতিক সংবাদ ভিত্তিক সর্বশেষ খবর — ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র মৃত্যু সম্পর্কে: টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আ.লীগের ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন গাজীপুরের পূবাইলে ‘আপোষহীন নেত্রী’র স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ ভিডিও বানাতে গিয়ে জঙ্গলে মিলল লাশ পূবাইলে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার জাতীয় শহিদ সেনা দিবস-আত্মত্যাগের স্মৃতি, দায়িত্বের অঙ্গীকার শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কড়া বার্তা শহীদ ওসমান হাদী হ*ত্যা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলন। 
Notice :
"Jonotarmotamot"  (জনতার মতামত) বা গণমানুষের সম্মিলিত ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বাস। কোন নির্দিষ্ট বিষয়, ঘটনা বা নীতি সম্পর্কে সমাজের একটি বৃহৎ অংশের মানুষের সমষ্টিগত চিন্তা বা অনুভূতি।

১৯৪৭ সনের প্রতিষ্ঠিত টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজে চরম দূর্নীতি ও অনিয়মের স্বেতপত্র

প্রতিনিধির নাম: / ৯৯৫ ভিউ:
আপডেট সময়: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

এত কেন্দ্র কি, পুরন মার্কেটিও কব

অবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজের শিক্ষক-কর্মচারিবৃন্দ। আমাদের প্রিয় শিক্ষা প্রতিহাসটি মীর্ঘদিন ধরে সুনাম, ঐতিয্য ও মানসম্পন্ন শিক্ষার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে একাধিক গুরুতর অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১। এইচএসসি কোচিং মানি ও বোর্ড ফি সংক্রান্ত অনিয়ম।

২০২৫ সালের এইচএসসি কোচিং ফি এবং এসএসসি ও এইচএসসি-২০১৫ পরীক্ষার কেন্দ্র ফি বাবদ মোট ১৩,০০,০০০/- ( লক্ষ) টাকা অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়ার নিকটে রয়েছে। কিন্তু ৫ই আগস্ট ২০২৪ তারিখের পর থেকে ১০ টাকা শিক্ষক-কর্মচারিদের মাঝে বণ্টন করা হয়নি। একাধিকবার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব মোঃ হারুন অর রশীদ স্যারকে অর্ণহিত করেও কোনো ব্যবস্থা গৃহীত হয়নি।

২। সুপার মার্কেটের অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত অনিয়ম:

অএ প্রতিষ্ঠানের অধীনে মোট ৩টি মার্কেটে ১৬১টি দোকান রয়েছে। দোকান পজিশন বিক্রয় ও ভাড়ার অর্থ আদায়ে অনিয়মের অভিযোগে গভর্নিং বডির ১৭/০৬/২০২৫ তারিখের ৪৯ নং সভার ০২ নং আলোচ্যসূচি অনুসারে একটি পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট মার্কেট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি সরেজমিন তদন্ত, দলিল, ব্যাংক রশিদ ও দোকান মালিকদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করে ২৩ (তেইশ) পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তৈরি করে ১৭/০৭/২০২৫ তারিখে আপনার নিকট দাখিল করে। প্রতিবেদনে ১৪,৮২,৫০,০০০/- (চৌদ্দ কোটি বিরাশি লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকার আর্থিক অসঙ্গতি চিহ্নিত করা হয়, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হয়েছে।

৩। অধ্যক্ষ কর্তৃক মূল ভবন পজিশন হস্তান্তর সংক্রান্ত অনিয়ম:

অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া স্কুল ভবনের মূল অংশ, যা উত্তর পাশের প্রধান ফটকের পশ্চিম পাশ ঘেঁষে অবস্থিত, সেই অংশের একটি কক্ষ তার আপন বোনের নামে পজিশন হস্তান্তর করেন। অথচ উক্ত পজিশন হস্তান্তর বাবদ কোনো অর্থই প্রতিষ্ঠানের অথনিলে জমা প্রদান করা হয়নি।

৪। অননুমোদিত ও ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেট নির্মাণ:

স্কুল মার্কেটের উত্তর পাশের পুরনো এক তলা ভবনের ওপর সম্পূর্ণ প্ল্যান বহির্ভূতভাবে এবং কোনো ভিত ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ দ্বিতল মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে উক্ত মার্কেটের দোকানসমূহের পজিশনও হস্তান্তর করা হয়, যার অর্থ প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা হয়নি। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, কাঠামোগত স্থায়িত্ব এবং আর্থিক স্বচ্ছতা-সবক্ষেত্রেই মারাত্মক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

৫। আইনানুগ পদক্ষেপ ও তদন্ত অবস্থা:

(নং-ধারা-উপরোক্ত দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ইতোমধ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি ফৌজদারি মামলা ) দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতের

নির্দেশে সিআইডি পুলিশ বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে। আমরা বিশ্বাস করি, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে প্রতিষ্ঠানের আত্মত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার ও ন্যায্য বিচার নিশ্চিত হবে।

এমতাবস্থায় আমরা টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজকে রাহুরগ্রাসথেকে মুক্ত করার জন্য সমাজের সকল সচেতন নাগরীক ও সাংবাদিক ভাইদের কাছে একান্ত সহযোগিতা কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর