সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এটা আন্তর্জাতিক সংবাদ ভিত্তিক সর্বশেষ খবর — ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র মৃত্যু সম্পর্কে: টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আ.লীগের ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন গাজীপুরের পূবাইলে ‘আপোষহীন নেত্রী’র স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ ভিডিও বানাতে গিয়ে জঙ্গলে মিলল লাশ পূবাইলে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার জাতীয় শহিদ সেনা দিবস-আত্মত্যাগের স্মৃতি, দায়িত্বের অঙ্গীকার শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কড়া বার্তা শহীদ ওসমান হাদী হ*ত্যা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলন। 
Notice :
"Jonotarmotamot"  (জনতার মতামত) বা গণমানুষের সম্মিলিত ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বাস। কোন নির্দিষ্ট বিষয়, ঘটনা বা নীতি সম্পর্কে সমাজের একটি বৃহৎ অংশের মানুষের সমষ্টিগত চিন্তা বা অনুভূতি।

কুড়িগ্রামে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় তিনশ হেক্টর জমির ফসল পচে গেছে

প্রতিনিধির নাম: / ৬৮১ ভিউ:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫, ৫:৪১ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রাম, ১২ জুন, ২০২৫ (বাসস): উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে কুড়িগ্রামের নদ-নদী অববাহিকার তিনশ হেক্টর জমির ফসল। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। এদিকে বন্যার পানি নামার পর ক্ষতি নিরূপণ করে কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি বিভাগ।

সরেজমিনে দেখা যায়, অসময়ে আকস্মিক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ক্ষেতের ফসল। তাই পানিতে নেমেই অপরিপক্ব ফসল তোলেন অনেক কৃষক। আবার কোথাও পানি নেমে যাওয়ায় স্পষ্ট হচ্ছে ক্ষত চিহ্ন। কেউ কেউ ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিষ্কার করছেন। এক সপ্তাহ আগে জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদীর অববাহিকা বন্যা প্লাবিত হলে নীচু এলাকার ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পানি শুকাতে শুরু করায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি ক্রমশ দৃশ্যমান হচ্ছে।

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে প্লাবিত হয়ে পড়ে কুড়িগ্রামের তিস্তা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা অববাহিকা। এতে করে পানিতে তলিয়ে যায় একরের পর একর বাদাম, পটল, পাট, তিল, কাউন, মরিচ, আউশসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত। কয়েকদিন পানিতে তলিয়ে থাকায় নষ্ট হয়ে গেছে ক্ষেতের বেশির ভাগ ফসল। অসময়ের এই বন্যায় ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে জেলার ১৬টি নদ-নদী অববাহিকার চরাঞ্চলে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে ফসল আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে বন্যার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে সবজিসহ ৩০০ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল।

সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের শুলকুর বাজার এলাকার কৃষক এরশাদ আলী বলেন, অতিবৃষ্টি আর নদীর পানি বাড়ার কারণে আমার পটল ক্ষেতে পানি ওঠে। এতে ১ বিঘা জমির সব পটল গাছ মরে গেছে। ক্ষেতে পানি আসায় বড় ক্ষতি হয়েছে আমার। আর কয়টা দিন পরে পানি আসলে অনেক টাকার পটল বিক্রি করতে পারতাম।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. মো. মামুনুর রহমান জানান, বন্যায় নদ-নদী তীরবর্তী এলাকায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতির হিসেক করা হয়নি। ক্ষতির হিসেব করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর