রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাই কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ: আমীর, ইসলামী সমাজ বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে হাসির জাদুতে যাঁরা জয় করেছিলেন কোটি দর্শকের হৃদয় জাপানে আমার ঐতিহাসিক সফর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কে এই শাহজালাল রুমি দৃষ্টি আকৃর্ষণ করছি ৫৪ নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের কাছে? টঙ্গী হাসপাতালে ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরি: ২ জন আটক, ১২টি ফোন চুরির দাবি টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এটা আন্তর্জাতিক সংবাদ ভিত্তিক সর্বশেষ খবর — ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র মৃত্যু সম্পর্কে: টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আ.লীগের ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন গাজীপুরের পূবাইলে ‘আপোষহীন নেত্রী’র স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ ভিডিও বানাতে গিয়ে জঙ্গলে মিলল লাশ
Notice :
"Jonotarmotamot"  (জনতার মতামত) বা গণমানুষের সম্মিলিত ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বাস। কোন নির্দিষ্ট বিষয়, ঘটনা বা নীতি সম্পর্কে সমাজের একটি বৃহৎ অংশের মানুষের সমষ্টিগত চিন্তা বা অনুভূতি।

আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাই কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ: আমীর, ইসলামী সমাজ

প্রতিনিধির নাম: / ২০ ভিউ:
আপডেট সময়: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ন

​আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাই কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ: আমীর, ইসলামী সমাজ
​টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
মানুষের দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ, শান্তি এবং আখিরাতে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির লক্ষ্যেই আল্লাহ তাআলা একমাত্র পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রদান করেছেন। ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ব্যবস্থার মাধ্যমে দুনিয়ায় কল্যাণ ও আখিরাতে মুক্তি লাভ সম্ভব নয়। তাই সমাজ ও রাষ্ট্রে আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাই মানুষের কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ।
​আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজ মাঠে ‘ইসলামী সমাজ’ আয়োজিত এক বিশাল কল্যাণ ও মুক্তি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর এসব কথা বলেন। “কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় মহাসত্যের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠন”-এর আহ্বানে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
​সমাবেশে ইসলামী সমাজের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, “ইসলামের মূল ভিত্তি হলো—সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরঙ্কুশ শাসন-কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর। মানুষের নয়। ফলে দাসত্ব, আইনের আনুগত্য ও উপাসনা একমাত্র আল্লাহরই করতে হবে। আর এর বাস্তবায়নে শর্তহীন আনুগত্য ও অনুসরণ করতে হবে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর।”
​তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্রসহ সকল মানব রচিত ব্যবস্থায় মানুষের মনগড়া আইন-বিধান ও নেতাদের আনুগত্য স্বীকার করে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর দাসত্বের সীমালঙ্ঘন করা হয়। ফলে গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সব ব্যবস্থাই ইসলাম বিরোধী।”
​সংবিধান প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, মানব রচিত ও আল-কুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার কারণেই সমাজে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদক, গুম-খুন, নারী-শিশু নির্যাতন ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মতো আযাব-গজব দেখা দিচ্ছে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠিত হলে সব ধর্মের মানুষের ন্যায্য অধিকার সংরক্ষিত হবে এবং একটি দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠিত হবে।
​রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভের পদ্ধতি তুলে ধরে তিনি বলেন, “গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন, সশস্ত্র সংগ্রাম, গণআন্দোলন কিংবা সেনা-ক্যু—এর কোনোটিই আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় রাসুল (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়। ঈমান ও ইসলামের দাওয়াতের মাধ্যমে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠনের মধ্য দিয়েই শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।” তিনি উগ্র পন্থা ও আল-কুরআন বিরোধী সকল সংবিধানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সকলকে ইসলামী সমাজের পতাকাতলে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।
​ইসলামী সমাজ রংপুর বিভাগের দায়িত্বশীল মোঃ হুমায়ূন কবীর এবং কুমিল্লা জেলার সহকারী দায়িত্বশীল শফিকুল ইসলাম স্বপনের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, মুহাম্মাদ ইয়াছিন, সোলায়মান কবীর, মোঃ আজমুল হক, মোঃ নুরুদ্দিন, মোঃ সেলিম মোল্লা, মোঃ মিনহাজ উদ্দিন, আবু জাফর মোঃ সালেহ, গুলজার আহম্মদসহ জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর