শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে হাসির জাদুতে যাঁরা জয় করেছিলেন কোটি দর্শকের হৃদয় জাপানে আমার ঐতিহাসিক সফর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কে এই শাহজালাল রুমি দৃষ্টি আকৃর্ষণ করছি ৫৪ নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের কাছে? টঙ্গী হাসপাতালে ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরি: ২ জন আটক, ১২টি ফোন চুরির দাবি টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এটা আন্তর্জাতিক সংবাদ ভিত্তিক সর্বশেষ খবর — ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র মৃত্যু সম্পর্কে: টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আ.লীগের ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন গাজীপুরের পূবাইলে ‘আপোষহীন নেত্রী’র স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ ভিডিও বানাতে গিয়ে জঙ্গলে মিলল লাশ পূবাইলে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
Notice :
"Jonotarmotamot"  (জনতার মতামত) বা গণমানুষের সম্মিলিত ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বাস। কোন নির্দিষ্ট বিষয়, ঘটনা বা নীতি সম্পর্কে সমাজের একটি বৃহৎ অংশের মানুষের সমষ্টিগত চিন্তা বা অনুভূতি।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে হাসির জাদুতে যাঁরা জয় করেছিলেন কোটি দর্শকের হৃদয়

প্রতিনিধির নাম: / ২৫ ভিউ:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন

হাসির জাদুতে যাঁরা জয় করেছিলেন কোটি দর্শকের হৃদয়
নিজস্ব প্রতিবেদক/
দিলদার, টেলি সামাদ, অমল বোস, আনিসুর রহমান আনিস, কালা আজিজ ও এটিএম শামসুজ্জামান—ছয়টি নাম, ছয়টি স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলী, অথচ সবার মাঝে একটাই মিল—দর্শকদের মুখে হাসি ফোটানোর অসাধারণ ক্ষমতা!
━━━━━━━━━━━━━━ বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি দিনের কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে তাঁদের পরিচিত মুখগুলো। কখনো অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি, কখনো মজার সংলাপ, আবার কখনো নিখুঁত অভিনয়ে তাঁরা মাতিয়ে রাখতেন সিনেমার পর্দা। তাঁদের উপস্থিতি ছাড়া অনেক চলচ্চিত্রের আনন্দ যেন অপূর্ণ থেকে যেত।
সময়ের স্রোতে অনেক কিছু বদলে গেছে, বদলে গেছে চলচ্চিত্রের ধরনও। কিন্তু এই শিল্পীদের সৃষ্টি করা হাসির মুহূর্তগুলো আজও পুরোনো দিনের দর্শকদের মনে অমলিন। তাঁরা শুধু কৌতুক অভিনেতা ছিলেন না, ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের বিনোদনজগতের একেকজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। ❤

দিলদার — হাসির এক অনন্য জাদুকর
নিজস্ব অভিনয়ভঙ্গি, মজার অভিব্যক্তি আর সাবলীল সংলাপ দিয়ে দর্শকদের হাসাতে পারতেন অনায়াসে। তাঁর অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৩ সালে অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ১৩ জুলাই ২০০৩ সালে তিনি চলে যান না-ফেরার দেশে। তবে তাঁর অভিনয়ের স্মৃতি আজও দর্শকদের হৃদয়ে জীবন্ত। 🕊

টেলি_সামাদ — যাঁর অভিনয়ে ছিল নির্মল আনন্দ
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য আনন্দঘন মুহূর্ত। অভিনয়ের পাশাপাশি গান ও ছবি আঁকার প্রতিও ছিল তাঁর আগ্রহ। ‘নয়নমণি’সহ নানা চলচ্চিত্রে তাঁর উপস্থিতি আজও স্মৃতির পাতায় উজ্জ্বল। ৬ এপ্রিল ২০১৯ সালে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন।

অমল_বোস — বহুমাত্রিক অভিনয়ের এক উজ্জ্বল নাম
কৌতুক থেকে গম্ভীর চরিত্র—বিভিন্ন ধরনের ভূমিকায় নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন অমল বোস। তাঁর অভিনয় ও স্মরণীয় সংলাপ দর্শকদের কাছে তাঁকে করে তুলেছিল বিশেষভাবে পরিচিত। ২৩ জানুয়ারি ২০১২ সালে তিনি চলে যান পরপারে। কিন্তু তাঁর অভিনয়ের ছাপ রয়ে গেছে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে। ❤

আনিসুর_রহমান_আনিস — সাবলীল অভিনয়ে যিনি ছিলেন স্বতন্ত্র
বেতার, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করে গড়ে তুলেছিলেন নিজস্ব পরিচয়। তাঁর স্বাভাবিক কৌতুক অভিনয় দর্শকদের দিয়েছে নির্মল আনন্দ। ২৮ এপ্রিল ২০১৯ সালে তাঁর প্রয়াণ ঘটে। রেখে গেছেন এমন কিছু স্মৃতি, যা পুরোনো দিনের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে আজও মূল্যবান।

কালা_আজিজ — পর্দায় যাঁর উপস্থিতি ছিল আলাদা
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে পরিচিত কালা আজিজ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন। বিশেষ করে খলনায়কের সহযোগী চরিত্রে তাঁর অভিনয় অনেক সিনেমায় এনে দিত ভিন্নমাত্রা। ১ জুলাই ১৯৫৪ সালে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী ২৩ নভেম্বর ২০১৯ সালে মৃ’ত্যুবরণ করেন। তাঁর অবদানও বাংলা চলচ্চিত্রের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। ❤

এটিএম_শামসুজ্জামান — অভিনয়ের বহুরূপী এক কিংবদন্তি
কৌতুক, খলচরিত্র কিংবা গম্ভীর ভূমিকায়—সব ক্ষেত্রেই নিজের অসামান্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালক, কাহিনিকার ও চিত্রনাট্যকার হিসেবেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক সম্মাননা এবং একুশে পদকে ভূষিত এই গুণী শিল্পী ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর অভিনয় বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আজ তাঁরা আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁদের সৃষ্টি করা হাসি আজও বেঁচে আছে।
পুরোনো দিনের সিনেমা যখন আবার পর্দায় ভেসে ওঠে, তখন তাঁদের অভিনয় দেখে নতুন করে মনে হয়—একটি চরিত্র কতটা আপন হয়ে উঠতে পারে, একজন শিল্পী কতটা গভীরভাবে জায়গা করে নিতে পারেন দর্শকের হৃদয়ে!
সময়ের কাছে তাঁদের শারীরিক উপস্থিতি হারিয়ে গেলেও শিল্পের কাছে তাঁরা অমর। তাঁদের হাসি, অভিনয়, সংলাপ আর স্মরণীয় চরিত্রগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে নিয়ে যাবে বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি দিনের গল্প।
বাংলা চলচ্চিত্রের এই ছয় গুণী শিল্পীর প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বিনম্র সম্মান। তাঁদের অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকুক।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা: ২১ দিনেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ​নিজস্ব প্রতিবেদক // ​টঙ্গীতে নূর ইসলাম হত্যা মামলা: ২১ দিন পার হলেও অধরা মূল আসামিদের অনেকে, বিচারের দাবিতে পরিবারের আকুতি। ​প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ: ​ঘটনার পটভূমি: গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠ এলাকায় নূর ইসলামকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ​মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপ: এ ঘটনায় নিহত নূর ইসলামের বোন নূরজাহান আক্তার বাদী হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৪ জন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা: ১. বাবু ওরফে খান বাবু (৩৮), ২. তরিকুল ইসলাম জিহাদ (২৩), ৩. মামুন (২৬) এবং ৪. আরাফাত রহমান জনি (২৮)। ​পরিবারের ক্ষোভ ও অভিযোগ: ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভে দিন কাটাচ্ছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, মামলার সাথে জড়িত অনেক আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ​প্রতিবাদ কর্মসূচি: গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীর পূর্ব থানার গোপালপুর বাজার এলাকায় আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নিহতের দুই কন্যা, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর